২০টি কোচ নিয়ে তৈরি এই ট্রেনটি শুধু দ্রুত নয়, যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। পাহাড়ি পথের কথা মাথায় রেখে এর ভেতরে নানা আধুনিক সুবিধা যোগ করা হয়েছে। নিরাপত্তার দিকটাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারেন।
এই ট্রেন চালু হওয়ায় জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, কারণ এখন যাতায়াত অনেকটাই সুবিধাজনক হয়ে উঠবে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিও এতে গতি পেতে পারে।
সব মিলিয়ে, এটা শুধু একটা নতুন ট্রেন পরিষেবা নয়—এটা ওই অঞ্চলের জন্য একধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত।







